Home | About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Submit Your Article | Advertise | Contact

Thursday, 11 June 2020

কিভাবে গবেষণা পেপার লিখবো? | How to write a research paper?

দীর্ঘ সময় নিরলস পরিশ্রম করেও অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় গবেষণা পেপারটি ঠিক মত না লেখার কারনে কিংবা সামান্য কিছু টুকিটাকি ভুলের কারনে ভালো জার্নালে পেপারটি পাবলিশ করা যায় না। ফলে প্রায়ই হতাশ হতে হয় গবেষকদের। তাই গবেষণার বা ডাটা তৈরির সময় যেমন গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হয়, ঠিক তেমনি পেপার তৈরির ক্ষেত্রেও একটু সতর্ক হতে হয়। নচেৎ তীরে এসে তরী ডুবার মত অবস্থা হয়।


গবেষণা পেপার লিখার সময় অবশ্যই কাঙ্ক্ষিত জার্নালের নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ করেই লিখতে হয়, এই যেমনঃ পেইজ মার্জিন, ফন্ট, ফন্ট সাইজ, রেফারেন্সিং স্টাইল ইত্যাদি নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসারেই হতে হয়। রেফারেন্সিং আমরা বিভিন্ন ভাবেই করতে পারি। অনেকে মাইক্রোসপ্ট ওয়ার্ড রেফারেন্সিং কমান্ড ব্যবহার করে, অনেকে আবার কাজটি আরো সহজ ও সুন্দর করার জন্য ম্যন্ডেলে বা এন্ড-নোট ব্যবহার করে থাকে। রেফারেন্সিং এর এই এপ্লিকেশন গুলো আসলেই অনেক চমকপ্রদ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি। এই আর্টিকেলে আমরা দেখবো একটি গবেষণা পেপারের স্ট্রাকচার কেমন হয় কিংবা কোন অংশে কি লিখতে হয়। তবে তার আগে রেফারেন্সিং নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়।



The research process -Texpedia

আমরা যারা নতুন গবেষক/লেখক, তারা একটা কাজ হয়তো প্রায়ই ভুল করে থাকি। আমরা রেফারেন্স ইউজ করার সময় মনে করি, কোন একটি সোর্চ (রিসার্চ আর্টিকেল, বুক, বুক চ্যাপ্টার, খবরের কাগজ ইত্যাদি ইত্যাদি) থেকে কোন লেখা সরাসরি কপি করে তার শেষে সাইটেশন (citation) করলেই হয়তো হয়ে যায়। আমাদের মনে হতেই পারে, আমিতো সোর্চ সাইট করেছিই। কিন্তু না, এমনটি করা যাবে না। রেফারেন্সিং কিংবা সাইট (cite) করার নিয়ম হল, আমরা আমাদের গবেষণা পেপার লেখার সময় প্রসংগক্রমে যদি মনে করি পাঠক আরো বিস্তারিত তথ্য চাইতে পারে, সেক্ষেত্রে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সাইটেশন এড করবো যেন পাঠক চাইলে ঐ সোর্চে গিয়ে বিস্তারিত জেনে নিতে পারে। এটা অনেকটা পাঠককে পথ দেখিয়ে দেয়ার মত, যদি আরও তথ্য চাও তাহলে এদিকে যাও। তাই মনে রাখতে হবে, আমরা আমাদের লেখার যেখানে সাইটেশন এড করবো সেই লেখার সাথে সোর্চ অবশ্যই সামঞ্জস্যপূর্ন ও প্রাসঙ্গিক হতে হবে যেন পাঠক গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য না নিয়ে ফিরে আসতে হয়।  



এভাবে পুরো লিখাটি শেষ করার পর অবশ্যই দুটি কাজ ভালো করে চেক করে নিতে হবে। এক. প্লেগিয়ারিজম (Plagiarism) চেক, দুই. ইংলিশ প্রুফ রিড। প্লেগিয়ারিজম চেক মানে হল, আমাদের লেখার কোন অংশ ইতিমধ্যে প্রকাশিত কোন লেখার সাথে হুবহু মিলে গেল কিনা যাচাই করা। এই যাচাই করার জন্য Turnitin, iThenticate, Grammarly, PlagScan ইত্যাদি আরও কিছু আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এপ্লিকেশন আছে। ভালো কোয়ালিটির জার্নালের জন্য সিমিলিয়ারিটি ইনডেক্স (Similiarity index) ১৫% পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়। এর বেশি হলে সেটা প্লেগিয়ারাইজড বা নকল বলে ধরে নেয়া হয়। আবার ইংলিশ প্রুফ রিড করানোর জন্য এলসেভিয়ারের (Elsevier) মত অনেক গুলো সার্ভিস আছে, যারা অন-পেমেন্ট ইংলিশ প্রুফ রিড করে।


পেপার লেখার ক্ষেত্রে আরেকটা বিষয় জেনে রাখা ভালো, অরিজিনাল রিসার্চ ওয়ার্ক হলে সেটা পাবলিশ করা তুলনামূলক সহজ। গবেষণা জগতে প্রথম প্রথম রিসার্চ পেপার দিয়েই শুরু করতে হয়। তারপর আস্তে আস্তে যখন আমরা কোন একটি বিশেষ বিষয়ে অনেক গুলো পাবলিকেশন করে ফেলবো, আমরা উক্ত বিষয়ে অনেক পারদর্শি হয়ে উঠবো তখন আমরা চাইলে উক্ত ফিল্ডে রিভিউ পেপার লিখতে পারবো, তারপর বুক চ্যাপ্টার বা বুক। পর্যাপ্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ছাড়া কোন বিষয়ে রিভিও পেপার লেখা ঠিক না, যা আমরা অনেকেই করতে চেষ্টা করি। কারন আমরা মনে করি, কপি পেস্ট করে সুন্দর কিছু ইমেজ ইউজ করেই একটা রিভিউ পেপার বানিয়ে ফেলবো। সেগুলো বাজারের সস্তা জার্নালে (Predatory Journals) টাকার বিনিময়ে প্রকাশিত হয়তো হবে, তবে কখনই ভালো জার্নালে পাবলিশ হবে না বরং আপনাকে ব্লক করে দিতে পারে ওরা। মনে রাখবেন, যেমন তেমন ৫০টা পেপার করার চেয়ে, ভালো মান সম্মত ৫টাই যথেষ্ট। 

আবার, বলে রাখা ভাল যে, টাকা দিয়ে পাবলিশ করা মানেই পাবলিকেশনটি খারাপ তা বলা যাবে না। বহু নামকরা এবং স্বীকৃত পাবলিশার আছে (জার্নাল বা বুক পাবলিশার), যারা আর্টিকেল/বুক প্রসেসিং চার্জ (এপিসি-APC) নিয়ে ওপেন এক্সেস পাবলিশ করে এবং সাথে সাথে এই রিগোরাস রিভিউ প্রসেস এনশিউর করে। অর্থাৎ, রিভিউয়াররা গ্রীন সিগনাল দিলেই কেবল এপিসি নেয় এবং পাবলিশ করে (এগুলি প্রিডেটরি প্রকাশনার মধ্যে পড়বে না)। মূল কথা হল, এই রিভিউ প্রসেস।



একটি রিসার্চ পেপার লেখার আগে নিচের ৬টি ইস্যু অবশ্যই দেখে নেয়া উচিৎ।  

১। Think about why you want to publish your work – and whether it's publishable.
২। Decide what type of manuscript to write.
৩। Choose the target journal.
৪। Pay attention to journal requirements in the Guide for Authors.
৫। Pay attention to the structure of the paper.
৬। Understand publication ethics to avoid violations.

এবার আসি, পেপারের গঠন, পেপারের কোন অংশে কি লিখতে হবে, কেমন করে লিখতে হবে। যদিও পেপারের ধরন ভেদে গঠন ভিন্ন হয়, তারপরও নিচে একটা সাধারন গঠন বা স্ট্রাকচার দেখানো হল।

Structure of the paper: 
  • Title 
  • Authors 
  • Abstract 
  • Keywords 
  • Introduction 
  • Methodology 
  • Related Work 
  • Body of the paper 
  • Conclusions [& future work] 
  • Acknowledgements 
  • References 

Title: 
Avoid abbreviations and very long titles. 

Authors: 
Authorship credit must be reserved for those who met each of the following conditions: 
  • Made a significant intellectual contribution to the theoretical developments, system or experimental design, prototype development, and/or the analysis and interpretations of data associated with the work contained in the manuscript; 
  • Contributed to drafting the article or reviewing and/or revising it for intellectual content; 
  • Approved the final version of the manuscript, including references. 
*** Order of names: Based on the amount of contribution. You and your supervisor: In the beginning, it is natural that most contribution comes from the supervisor and When the work progresses it is natural to change the order. 

Abstract: 
  • Highlight the problem and principal results 
  • No references, equations, formulas 
  • Avoid: “In this paper...” 

Keywords: 
Include the relevant terms (to be used in search). Use at least 4/5 keywords separated by comma or semicolon [mentioned in the authors' guideline] 

Introduction: 
Pinpoint the problem and give an overview of the approach and/or contribution. 
  1. What is the problem? 
  2. Why is it interesting and important? 
  3. Why is it hard? 
  4. Why hasn’t it been solved before? (What wrong with previously proposed solutions) 
  5. What are the key components of my approach and results? 
In the end, it might include a brief outline of the rest of the paper (especially if it is a journal paper): The remainder of this paper is organized as follows. In section 2, ...” But this may be removed in the case of some conference papers with very limited space. 

Methodology: 
Mention the materials-methods used in the research. 

Related Work: 
It can also appear at the end (before the conclusions) 

Body of the paper: 
  • The structure varies, depending on content. 
  • Try to use a top-down description. 
  • If possible use a running example (In general, the paper should tell a story) 
  • Have clearly in mind who the reader is. 
  • Emphasize the novel results (and their experimental validation).  
Conclusions [& future work]: 
  • Do not repeat text from abstract & introduction. 
  • Make your claims more concrete. 
  • Which new research directions are set by the paper? 
Acknowledgements: 
  • Funding sources, resources providers. 
  • People that gave some specific help (but not at the level of becoming an author). 
References: 
  • Complete & consistent. 
  • If journal paper: try to include papers from the journal you intend to submit to. 
Some things to avoid: 

4 comments:

  1. Replies
    1. You are most welcome. Hope it may help the researchers especially who are new comer to the vast research world.

      Delete
  2. Really it is helpful for beginners, like me.

    ReplyDelete
    Replies
    1. Thank you very much. Our purpose is to cooperate with you. Please do not forget to share with your f&f.

      Delete

Manufacturing & Service Operations | Functions of Supply Chain

Supply Chain A  supply chain  is a network of individual functions within an organization that begins with the development of a stra...